ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট করে দিয়েছে বাংলাদেশ। নিজেদের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসেই দুর্দান্ত বোলিং করেছে বাংলাদেশের পেসাররা। ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ।
টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে এটি তৃতীয়সেরা বোলিং। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে এটি হাসানের তৃতীয়বার পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি।
হাসান মাহমুদের সঙ্গে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেন। দুজনই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। ফলে টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো এক ইনিংসে প্রতিপক্ষের ১০ উইকেটই তুলে নিলেন বাংলাদেশের পেসাররা।
এর আগে ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এক ইনিংসে বাংলাদেশের পেসাররা প্রতিপক্ষের ১০ উইকেট নিয়েছিলেন। সেই ইনিংসেও পাঁচ উইকেট শিকার করেছিলেন হাসান মাহমুদ।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের ৫২তম ওভারের পঞ্চম বলে হাসান মাহমুদকে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন স্টিভেন স্মিথ। ৭১ রানে থামে তার ইনিংস। স্মিথের উইকেটের মধ্য দিয়ে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন হাসান। পরে শেষ উইকেটটিও তুলে নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ৬ উইকেটের দেখা পান তিনি।
ভারত ও পাকিস্তানের পর এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেও টেস্টে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়লেন হাসান। ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটেও পাঁচ উইকেট নেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে এই পেসারের।
লাঞ্চের পর দ্বিতীয় সেশনেও অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখে বাংলাদেশ। এই সেশনে ১০৯ রান তুললেও চার উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। স্টিভেন স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করছিলেন। ৫৫ রানের জুটি গড়ার পর ক্যারিকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন ইবাদত হোসেন।
এরপর বো ওয়েবস্টারের সঙ্গে স্মিথের জুটি থেকে আসে ২৩ রান। দারুণ এক ডেলিভারিতে ওয়েবস্টারকে বোল্ড করেন তাসকিন আহমেদ। পরে প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককে ফিরিয়ে দেন হাসান মাহমুদ।
তবে অস্ট্রেলিয়ার রান আরও কম হতে পারত। স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ পেসারদের মতো কার্যকর হতে পারেননি। ফিল্ডিংয়েও কয়েকটি সুযোগ হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ।
তারপরও তিন পেসারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসেই অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে ম্যাচের শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
You cannot copy content of this page