সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম।
দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন গাজী নজরুলকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল ইসলাম জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।
মামলায় গ্রেপ্তারের পর ২১ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুলকে চার দিনের এবং মাকসুদা বেগমকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে ২২ সেপ্টেম্বর মাকসুদাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরদিন ওবায়দুর রহমানকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। প্রথম দফার রিমান্ড শেষে ২৪ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুলকে আরও চার দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহারে মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগ এখন মামলার তদন্তের অংশ; আদালতে অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।
You cannot copy content of this page