অপ্রতিসম জৈব সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রসায়নে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দুই বিজ্ঞানী হেনরি বি. কাগান ও কেনসো সোয়াই।
বাংলাদেশ সময় বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে সুইডেনের স্টকহোম থেকে তাদের নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।
রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, অপ্রতিসম জৈব সংশ্লেষণে অরৈখিক প্রভাব ও স্ব-অনুঘটনের আবিষ্কারের জন্য হেনরি বি. কাগান ও কেনসো সোয়াইকে এ বছরের রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
নোবেল কমিটি জানিয়েছে, তাদের গবেষণা অপ্রতিসম জৈব সংশ্লেষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির পথ তৈরি করেছে। এই গবেষণার মাধ্যমে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে অণুর নির্দিষ্ট গঠন ও বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালে রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন জাপানের সুসুমু কিতাগাওয়া, যুক্তরাজ্যের রিচার্ড রবসন এবং জর্ডানের ওমর এম. ইয়াগি। ধাতু-জৈব কাঠামো বা মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক (এমওএফ) উদ্ভাবনের জন্য তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।
১৯০১ সাল থেকে রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত এই বিভাগে মোট ১১৬ বার নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
রসায়নে নোবেলজয়ীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সে পুরস্কার পাওয়ার রেকর্ড রয়েছে জন বি. গুডএনাফের। ২০১৯ সালে ৯৭ বছর বয়সে তিনি রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান।
অন্যদিকে, তুলনামূলকভাবে কম বয়সে রসায়নে নোবেল পাওয়া বিজ্ঞানীদের মধ্যে অন্যতম ফ্রেদেরিক জোলিও-কুরি। ১৯৩৫ সালে ৩৫ বছর বয়সে স্ত্রী ইরেন জোলিও-কুরির সঙ্গে যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান তিনি।
You cannot copy content of this page