দণ্ডিত আসামির বক্তব্য বা বিবৃতি গণমাধ্যমে প্রচার না করার জন্য দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রকাশিত এক তথ্য বিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।
তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ইতোমধ্যে জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার আসামি, ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, আইসিটির এ নির্দেশনা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। একই সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বন্ধ করা এবং পূর্বে প্রচারিত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ) দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট আইনের ধারা উল্লেখ করে দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।
তথ্য বিবরণীতে আরও বলা হয়, আদালতের নির্দেশনা মেনে অনেক গণমাধ্যম শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকলেও কিছু গণমাধ্যম এখনো তা প্রচার করছে, যা নিয়ে সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
সরকার বলেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ সম্মান জানিয়ে যেসব গণমাধ্যম আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করছে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমকে পলাতক শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি প্রচার না করার জন্য পুনরায় বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
তথ্য বিবরণীতে আশা প্রকাশ করা হয়, জাতীয় ঐক্য, আইনের শাসন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে দেশের সব গণমাধ্যম দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।
You cannot copy content of this page