রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এবারের বাজেটে দেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশা ও ধর্ম-বর্ণের মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “সাধারণত একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বাংলাদেশে কমপক্ষে ছয় মাস সময় লাগে। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে সময় ছিল মাত্র দেড় থেকে দুই মাস। এত কম সময়ে বাজেট প্রস্তুত করা অত্যন্ত কঠিন ছিল, তারপরও সবার সহযোগিতায় আমরা তা সম্পন্ন করেছি। আমরা কতটা সফল হয়েছি, তার বিচার দেশের জনগণই করবে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, বাজেটের প্রেক্ষাপট এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। দীর্ঘ এক ফ্যাসিবাদী শাসনের পর একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকারের সময়ে জনগণ আবারও বাজেটের প্রকৃত কার্যকারিতা অনুভব করছে।
তিনি বলেন, “বিগত প্রায় দেড় দশক ধরে দেশবাসী এমন একটি বাজেট থেকে বঞ্চিত ছিল, যা সত্যিকার অর্থে জনগণের চিন্তার প্রতিফলন ঘটায়। বাজেট মূলত জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন।”
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আরও জানান, সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল অর্থনীতিকে আরও গণমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করা। অতীতে অর্থনীতি কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবার সাধারণ মানুষের জন্যও সুযোগ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ, কর্মসূচি এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।
You cannot copy content of this page