তপ্ত গরমে স্বস্তির জন্য ঘরে ঘরে বাড়ছে এসি ও কুলারের ব্যবহার। গ্যাস সংকটের কারণে অনেকেই রান্নার জন্য ঝুঁকছেন ইন্ডাকশন কুকারের দিকে। তবে এসব যন্ত্র একসঙ্গে ব্যবহারের কারণে মাস শেষে বাড়ছে বিদ্যুৎ বিল, সঙ্গে তৈরি হচ্ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি এসি সাধারণত ১.২–১.৫ কিলোওয়াট এবং একটি ইন্ডাকশন কুকার প্রায় ২ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে। এর সঙ্গে ফ্রিজ ও ওয়াশিং মেশিন যুক্ত হলে মোট লোড ৫–৬ কিলোওয়াট ছাড়িয়ে যায়, যা অনেক আবাসিক সংযোগের অনুমোদিত সীমার বাইরে। ফলে ফিউজ উড়ে যাওয়া, শর্ট সার্কিট বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি বেশি ইউনিট ব্যবহারে বিলও বেড়ে যায়।
এ পরিস্থিতি এড়াতে ভারী বৈদ্যুতিক যন্ত্র একসঙ্গে ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেমন—রান্নার সময় ইন্ডাকশন চালালে এসি বন্ধ রাখা, আবার রাতে এসি চালানোর সময় ওয়াশিং মেশিন বা ইন্ডাকশন না ব্যবহার করাই ভালো।
এছাড়া এসির ফিল্টার পরিষ্কার রাখা এবং ইন্ডাকশনে উপযুক্ত পাত্র ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব। নিয়মিত বেশি লোড প্রয়োজন হলে বিদ্যুৎ অফিস থেকে অনুমোদিত লোড বাড়িয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
পরিকল্পিত ও সচেতন ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিল কমানো এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।