প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ১১, ২০২৬, ৪:২২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ১১, ২০২৬, ৪:০২ পি.এম
বিআরটিসির বহরে প্রথমবার যুক্ত হচ্ছে ১০০ ইলেকট্রিক বাস, ঋণ দিচ্ছে সরকার
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বহরে প্রথমবারের মতো যুক্ত হচ্ছে ১০০টি ইলেকট্রিক বাস। এ বাসগুলো ক্রয়, চার্জিং স্টেশন স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে ৪০০ কোটি টাকা ঋণ দেবে অর্থ মন্ত্রণালয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সহজ শর্তে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ২০ বছরের মধ্যে এ ঋণ পরিশোধ করতে হবে। বাংলাদেশে ইলেকট্রিক যানবাহন নতুন হওয়ায় ঋণের সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ১ শতাংশ।
সূত্র জানায়, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং সমন্বিত পরিবহন করিডোর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। বিষয়টি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর আগে বিআরটিসির জন্য ইলেকট্রিক বাস, চার্জিং স্টেশন ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণে পরিচালন বাজেট থেকে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান চেয়ে অর্থ বিভাগের কাছে প্রস্তাব দেয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।
তবে বিআরটিসি রাষ্ট্রায়ত্ত হলেও বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় অনুদান বা ইক্যুইটি দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানায় অর্থ বিভাগ। পরিবর্তে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অর্থ বিভাগ প্রণীত স্থানীয় ও বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ লগ্নি ও পুনঃলগ্নির নীতিমালা অনুযায়ী এ ঋণ দেওয়া হবে। ত্রৈমাসিক কিস্তিতে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড শেষে ২০ বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। তবে বাস কেনার আগে অর্থ বিভাগের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে ঋণচুক্তি সম্পাদন করতে হবে।
অর্থ বিভাগের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটে পরিচালন ঋণ খাতে ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। সেই বরাদ্দ থেকেই সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান এবং সরকারি ক্রয় আইন অনুসরণ করে বিআরটিসির বহরে ১০০টি ইলেকট্রিক বাস সংযোজন, চার্জিং স্টেশন স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে শর্তসাপেক্ষে ৪০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হবে।