বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য আগামী মাসে পরীক্ষামূলকভাবে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা অন্তত ১০টি বিশেষ সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছে সরকার।
শনিবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘চামেলী’ হলে সরকারপ্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রবাসী কার্ড চালুর উদ্যোগ-সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, আগস্ট মাসের মধ্যেই প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে। এই কার্ড চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, বিভিন্ন সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা এবং ডুয়াল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও পেমেন্ট সুবিধা প্রদান।
সরকার জানায়, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ক্রীড়া কার্ডের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় প্রবাসী কার্ডও চালু করা হচ্ছে।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক এই কার্ড ইস্যু করবে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ হাজার এবং আগামী বছরের জুনের মধ্যে ২ লাখ প্রবাসীর হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরবর্তী পর্যায়ে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রবাসী কার্ডের সব কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের এই কার্ডের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশনা দেন।
বৈঠকে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ ও মাহদী আমিন, বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
You cannot copy content of this page