ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের একটি হলো হজ, যা সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য ফরজ ইবাদত। হজ পালনের কেন্দ্রবিন্দু Kaaba—পৃথিবীর প্রথম ইবাদতের ঘর, যা মানবজাতির জন্য বরকতময় ও দিকনির্দেশনামূলক হিসেবে কোরআনে উল্লেখ রয়েছে (সুরা আলে ইমরান: ৯৬-৯৭)।
হাদিসে বর্ণিত আছে, ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত—ঈমান, নামাজ, জাকাত, হজ ও রোজা। হজ এমন একটি ইবাদত, যা সঠিকভাবে আদায় করতে পারলে মানুষের জীবন পাপমুক্ত হয়ে যায়। Muhammad (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি হজে গিয়ে পাপ থেকে বিরত থাকে, সে নবজাত শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে ফিরে আসে (বোখারি)।
কবুল হজের প্রতিদান একমাত্র জান্নাত। হজ ও ওমরাহ মানুষের পাপ দূর করে এবং জীবনে বরকত আনে। এটি ভ্রাতৃত্ব, সমতা ও সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়—যেখানে সব হাজি একই পোশাকে, একই উদ্দেশ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে একত্রিত হন এবং উচ্চারণ করেন, “লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক।”
হজে অংশগ্রহণকারীরা আল্লাহর বিশেষ মেহমান হিসেবে বিবেচিত হন। এই ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ তাদের গুনাহ মাফ করেন, জীবনে বরকত দান করেন এবং রহমতের চাদরে আবৃত করেন। হজ শেষে হাজিরা ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে ফিরে আসে—যা ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান হিসেবে বিবেচিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়