ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক কথিত ‘পুশইন’ এবং সীমান্তে হত্যার ঘটনা নিয়ে জাতীয় সংসদে নির্ধারিত আলোচনা শেষ মুহূর্তে স্থগিত হওয়ায় এর কারণ জানতে চেয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মীর আহমাদ বিনকাসেম।
রোববার (১৪ জুন) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে তিনি এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানান, আগের কার্যদিবসে তাকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছিল যে, তার উত্থাপিত প্রস্তাবটি আলোচনার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অবহিত করা হয়েছে। তবে অধিবেশন শুরুর কিছুক্ষণ আগে তাকে জানানো হয়, আলোচনাটি স্থগিত করা হয়েছে।
মীর আহমাদ বিনকাসেম বলেন, জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেন স্থগিত করা হলো, তা পরিষ্কার করা প্রয়োজন। তিনি আরও জানতে চান, আলোচনাটি কবে পুনরায় সংসদের কার্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
জবাবে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছিল এবং পরে স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিতাদেশকে তিনি সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাজেট অধিবেশন চলমান থাকায় সময়সীমাজনিত কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বাজেট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর বিষয়টি আলোচনার জন্য পুনরায় নির্ধারণ করা হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মীর আহমাদ বিনকাসেমের প্রস্তাবে দেশের সার্বভৌমত্ব, নাগরিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার রক্ষার স্বার্থে বিএসএফের কথিত ‘অবৈধ পুশইন’, সীমান্ত হত্যা এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ঘোষিত ‘পুশইন’ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছিল।
সংসদ সচিবালয়ের মূলতবি ও অধিকার শাখা থেকে দেওয়া এক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ১৪৭ বিধি অনুযায়ী দেওয়া এ প্রস্তাবের ওপর রোববারের নির্ধারিত আলোচনা ‘অনিবার্য কারণবশত’ স্পিকার স্থগিত করেছেন।
You cannot copy content of this page