বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নবাগত কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে হতাশ হয়েছিল স্পেন। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে সেই হতাশা ভুলে দাপুটে ফুটবল উপহার দিয়েছে ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দলটি।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এইচ গ্রুপের ম্যাচে সৌদি আরবকে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্পেন। এই জয়ে দুই ম্যাচ শেষে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে এসেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। এর ফলও পেয়ে যায় দ্রুত। তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের গোলে এগিয়ে যায় লা রোহা। বিশ্বকাপে এটিই ছিল ১৮ বছর বয়সী এই ফুটবলারের প্রথম গোল।
এরপর আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেন মাইকেল ওয়ারসাবাল। প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করে সৌদি আরবকে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে দেন তিনি। মাত্র ২৪ মিনিটের মধ্যেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন।
বিরতির পরও স্পেনের আধিপত্য অব্যাহত থাকে। ম্যাচের ৪৯তম মিনিটে সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল তামবাকতি আত্মঘাতী গোল করলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০।
বাকি সময়ে একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও আর কোনো গোল করতে পারেনি স্পেন। অন্যদিকে সৌদি আরবও ম্যাচে ফেরার মতো কোনো উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের অন্যতম বড় জয়গুলোর তালিকায় আরেকটি অধ্যায় যোগ করল স্পেন। এর আগে ২০০৬ বিশ্বকাপে ইউক্রেনকে ৪-০ গোলে হারিয়েছিল তারা। বিশ্বকাপে স্পেনের সবচেয়ে বড় জয় আসে ২০২২ আসরে, যখন কোস্টারিকাকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল লা রোহা। এছাড়া ১৯৯৮ সালে বুলগেরিয়াকে ৬-১ এবং ১৯৮৬ সালে ডেনমার্ককে ৫-১ গোলে হারানোর স্মৃতিও রয়েছে তাদের।
দুই ম্যাচে এক জয় ও এক ড্রয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘এইচ’-এর শীর্ষে অবস্থান করছে স্পেন। নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করার পথে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ এগিয়ে গেল ইউরোপিয়ান দলটি।
You cannot copy content of this page