ইরানে টানা ১১তম রাতের মতো সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবরিজ অঞ্চলে হামলার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মঙ্গলবার (স্থানীয় সময়) রাত থেকে অভিযান শুরু হয়। সংস্থাটির দাবি, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
তাবরিজে হামলার খবর নিশ্চিত হলে তা সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের ধারা থেকে কিছুটা ভিন্ন বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, সাম্প্রতিক অধিকাংশ হামলা দক্ষিণ ইরান ও হরমুজ প্রণালিসংলগ্ন এলাকাকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়েছে।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, রাজধানী তেহরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দ শুনেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সময়ে দক্ষিণ ইরানের সিরিক শহরের আশপাশেও কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
অন্যদিকে, ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমের খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের বুশেহর প্রদেশের বিভিন্ন এলাকাতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরান এর জবাবে নিজেদের ভাষ্যমতে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ ও সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে হামলা শুরুর পর ইরান কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে হামলা চালিয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ড্রোন প্রতিহত করতে তারা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা।
You cannot copy content of this page