সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনার পর ১৪১টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। এতে সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট মিলিয়ে ২১ হাজার ৯৩৩ জন যাত্রীর ভ্রমণ ব্যাহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আকাশসীমা ব্যবস্থাপনা ও ফ্লাইট পরিচালনা বিভাগের (এএসএম) স্কোয়াড্রন লিডার মো. সাকিব।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে তিনি জানান, বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত করতে হয়েছে।
বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১৯টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি রয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২৯টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৭টি, সালাম এয়ারের ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিমানযাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফ্লাইট বাতিলের কারণে যাত্রীদের ভ্রমণসূচি পরিবর্তন, সংযোগকারী ফ্লাইট মিস করা এবং গন্তব্যে পৌঁছাতে বিলম্বের মতো সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
এদিকে, হামলার ঘটনায় হতাহতের তথ্যও সামনে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট ৩০৯ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশের দুই প্রবাসী—বগুড়ার মো. শাহেদ আহমেদ ও কুমিল্লার নাসরুল্লাহ বদরপুরী—নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরও ২৭ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিরাপত্তা এবং বিমান চলাচলের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
You cannot copy content of this page