হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া ইরানের চারটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ ভূপাতিত করার দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ড্রোনগুলো ওই অঞ্চলে চলাচলকারী বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করেছিল।
শনিবার (৬ জুন) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, ড্রোনগুলো ভূপাতিত করার পর সম্ভাব্য আরও হামলা ঠেকাতে ইরানের গোরুক ও কেশম দ্বীপে অবস্থিত উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্টেশনে যৌথ হামলা চালানো হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনার পর নতুন করে এ উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তি বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ড্রোন হামলায় একজন নিহত এবং ৬০ জনের বেশি আহত হন। তবে হামলার দায় অস্বীকার করেছে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটির কারণেই ওই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
অন্যদিকে সেন্টকম ইরানের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, ইরান পরিকল্পিত, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অন্যায়ভাবে কুয়েতের ওই বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে।
এর আগে আইআরজিসি জানিয়েছিল, একটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার ও কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল।
সূত্র: বিবিসি
You cannot copy content of this page