দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশে বাগেরহাটের প্রস্তাবিত খানজাহান আলী (র.) বিমানবন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফয়লাহাটে প্রস্তাবিত বিমানবন্দর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় চীনা বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সিএসসি-এর শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিমানবন্দরটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেও দীর্ঘদিন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের অগ্রগতি হয়নি। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অবহেলিত অঞ্চলের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আবারও গুরুত্ব পাচ্ছে।
তিনি জানান, চীনা প্রতিনিধিদল প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তাদের আনুষ্ঠানিক বিনিয়োগ প্রস্তাব পাওয়া গেলে তা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করে দ্রুত একনেকের অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিদর্শনে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনার সমন্বয়ে চীনা প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মি. পিটারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুলের আমন্ত্রণে তারা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন।
কেডিএ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, মোংলা বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, ইপিজেড এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দরের প্রয়োজন দীর্ঘদিনের। তাঁর মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত যোগাযোগ কেন্দ্রে পরিণত হবে।
পরিদর্শনকালে বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, কেডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাবিরুল আলম, রামপাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মান্নান হাওলাদারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
You cannot copy content of this page