মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা গেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা দ্রুতই প্রশমিত হতে পারে। তার এমন মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত কমে যায়।
সোমবার (৯ মার্চ) দিনের শুরুতে বাজার ছিল বেশ উত্তপ্ত। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম আগের দিন ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের সীমা অতিক্রম করে। ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ–এর পর এই প্রথম তেলের দাম এতটা উঁচুতে পৌঁছায়।
তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়ে বৈশ্বিক শেয়ারবাজারেও। এশিয়া ও ইউরোপের বড় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয় এবং বিক্রির চাপ বাড়ে। এমনকি ওয়াল স্ট্রিট–এর লেনদেনও দিনের শুরুতে চাপের মুখে পড়ে।
তবে ট্রাম্পের বক্তব্যের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত ‘প্রায় শেষের দিকে’। এর পরই তেলের বাজারে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
দিনের এক পর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলার পর্যন্ত ওঠা ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দ্রুত কমে দিনের শেষে দাঁড়ায় ৯৮.৯৬ ডলারে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী না হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি বাজারে চাপ কিছুটা কমেছে। তবে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল না হওয়ায় আগামী দিনগুলোতে তেলের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকতে পারে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়