1. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.media71bd.com : TV :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না ৯ দল, বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গঠনে প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না ৯টি দল। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর বড় একটি অংশ সীমিত সংখ্যক আসনে প্রার্থী দিতে পারায় বড় দলগুলোর বাইরে শক্তিশালী বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠেনি বলে মত দিচ্ছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে ২৯টি দল মাত্র ১ থেকে ২০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। অপরদিকে ১০০টির বেশি আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে মাত্র পাঁচটি দল। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিক ১৪ দলীয় জোট এবার নির্বাচনের বাইরে রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন পর তুলনামূলক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, ফলে নির্বাচন নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা কম। তবে নিবন্ধিত বহু দলের মাঠপর্যায়ের সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং প্রার্থী সংকট দেশের রাজনীতিতে বিকল্প শক্তি গঠনের সম্ভাবনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত গত তিনটি সংসদ নির্বাচন নিয়েই বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলো অংশ নেয়নি। ২০১৮ সালে অংশ নিলেও নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ ছিল না বলে অভিযোগ ওঠে। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দলটি অংশ নিচ্ছে না। জাসদ ছাড়া ১৪ দলের অন্যান্য শরিক দলও ভোটের বাইরে রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে ভোটের মাঠে নেই তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ, আওয়ামী লীগ, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, ন্যাপ, ওয়ার্কার্স পার্টি ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনসহ মোট ৯টি দল

নির্বাচনে বিএনপি ৩৩১টি, জামায়াতে ইসলামী ২৭৬টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৬৮টি এবং জাতীয় পার্টি ২২৪টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। গণঅধিকার পরিষদ ১০০টির বেশি আসনে প্রার্থী দিতে পারলেও বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে আসন সমঝোতার কারণে এ সংখ্যা পরিবর্তন হচ্ছে।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞ জেসমিন টুলি বলেন, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের অন্তত ৩০টির ১০ শতাংশ আসনে প্রার্থী দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে তা দেখা যাচ্ছে না। এতে স্পষ্ট হয়, বড় কয়েকটি দলের বাইরে প্রকৃত রাজনৈতিক বিকল্প শক্তি তৈরি হয়নি। তিনি আরও বলেন, অনেক দল নিবন্ধনের শর্ত পূরণ করলেও নিয়মিত সাংগঠনিক কার্যক্রম ধরে রাখে না।

তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির বিধান কার্যকর করা গেলে অনেক দল হয় নিজেদের সংগঠন শক্তিশালী করত, নয়তো নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ত।

অন্যদিকে নির্বাচন বিশ্লেষক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, কিছু দল ক্ষমতাসীনদের ঘিরে কর্মসূচি করে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে। অনেকেই রাজনীতিকে গুরুত্ব না দিয়ে এক ধরনের ‘খেলা’ হিসেবে বিবেচনা করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় প্রতীক বাধ্যতামূলক থাকা অবস্থায় আদর্শ ও জনসম্পৃক্ততা ছাড়া নির্বাচনকেন্দ্রিক দল গঠনের প্রবণতা ভোটারদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে

Share This Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!