বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের একটি লকার থেকে গ্রাহকের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাচান চৌধুরী, পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. আল মামুনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পূবালী ব্যাংকের বাগেরহাট শাখা পরিদর্শন করে ঘটনাটি পর্যালোচনা করেন। বিকেল পর্যন্ত কয়েক ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হয়।
এর আগে বুধবার (৪ মার্চ) সুমন কুমার দাস নামে এক গ্রাহক ব্যাংকের লকারে রাখা স্বর্ণালঙ্কার খোয়া যাওয়ার অভিযোগ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর তিনি পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ব্যাংকের একটি লকারে সংরক্ষণ করেন। পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য বুধবার লকার খুলতে গিয়ে তিনি দেখেন সেখানে স্বর্ণালঙ্কার নেই।
বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে জানানো হলে তদন্ত শুরু হয়। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক সুমন কুমার দাস বলেন, পরিবারের সবার স্বর্ণালঙ্কার সেখানে রাখা ছিল। হঠাৎ সেগুলো না পেয়ে তারা বড় ধরনের সংকটে পড়েছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
পূবালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন বলেন, তাদের ব্যাংকে আগে এমন ঘটনা ঘটেনি। লকারের গ্রাহক অংশের চাবি গ্রাহকের কাছেই থাকে এবং সে বিষয়ে ব্যাংকের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তাই তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তদন্ত শেষে দায়ীদের শনাক্ত করা হবে।
এদিকে একই ভবনে থাকা একটি নগদ ডিস্ট্রিবিউশন হাউজ থেকে প্রায় ৩৩ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানের হিসাবরক্ষক মো. মনিরুজ্জামান ওই টাকা নিয়ে পালিয়েছেন। এ ঘটনায় বুধবার বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মামলা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়