জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধনী) বিল ২০২৬। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে বিলটি অনুমোদন পায়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আহমেদ আজম খান বিলটি উত্থাপন করে জানান, ২০২২ সালের বিদ্যমান আইন সংশোধনের মাধ্যমে সময়োপযোগী ও প্রাসঙ্গিক কাঠামো তৈরি করাই এর লক্ষ্য। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, চেতনা ও মূল্যবোধ সংরক্ষণ এবং তা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়নের প্রয়োজন থেকেই এ সংশোধনী আনা হয়েছে।
সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তাৎক্ষণিক বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হয় এবং কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় দফাওয়ারি আলোচনা ছাড়াই ধারাগুলো একে একে কণ্ঠভোটে পাস হয়। ২ থেকে ১৪ নম্বর ধারা একযোগে অনুমোদিত হয় এবং পরে প্রথম ধারাও পাস করা হয়। সবশেষে বিলটি পূর্ণাঙ্গভাবে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিতে গৃহীত হয়।
সংশোধিত আইনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীর উল্লেখ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলামসহ কয়েকটি সংগঠন রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এসব সংগঠনকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে আইনে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ ও বিকৃতি প্রতিরোধের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়