1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন

আকুর ১৪৮ কোটি ডলার পরিশোধের পরও রিজার্ভ ৩৬.৫১ বিলিয়ন ডলার, স্বস্তিতে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার

মিডিয়া ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু)-এর মে-জুন সময়ের আমদানি বিল বাবদ ১৪৮ কোটি ডলারের বেশি পরিশোধের পরও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার (গ্রস) রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলারে রয়েছে। পরিশোধের আগে মঙ্গলবার দিনের শুরুতে রিজার্ভ ছিল ৩৭ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ হিসাবপদ্ধতিতে মঙ্গলবার দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। আগের দিন সোমবার এই রিজার্ভ ছিল ৩৩ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার।

আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির শর্ত অনুযায়ী ২০২৩ সালের জুন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে। সে সময় এই রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া আইএমএফের পদ্ধতিতে প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ বা নেট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) হিসাব করা হলেও তা সাধারণত প্রকাশ করা হয় না। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, এনআইআর দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯৩ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২১ সালের আগস্টে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। তবে পরবর্তী সময়ে ডলারের সরবরাহ ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাপক ডলার বিক্রির ফলে রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমে যায় এবং আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে তা ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

পরবর্তীতে অর্থপাচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ, হুন্ডি লেনদেন কমে যাওয়া এবং বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায় রিজার্ভ আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়। প্রায় ৪৫ মাস পর গত ২৯ জুন দেশের গ্রস রিজার্ভ আবারও ৩৭ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এর আগে ২৪ জুন রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ঘরে পৌঁছায়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় কিছুটা কমলেও প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে।

চলতি মাসের প্রথম ছয় দিনে প্রবাসীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রায় ৭০ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬৩ শতাংশ বেশি।

এদিকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে মোট ৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় এ প্রবৃদ্ধি ৫২৬ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ। তার আগের অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছিল প্রায় ৬৪২ কোটি ডলার, যা ছিল প্রায় ২৭ শতাংশ।

রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সার কাছাকাছি রয়েছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page