
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের মতো বরগুনার উপকূলীয় তালতলী উপজেলার তরুণরাও সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। সেই আন্দোলনের এক সাহসী অংশগ্রহণকারী মো. বেল্লাল হোসেন, যিনি আন্দোলনে অংশ নিয়ে বুলেটের আঘাতে চিরতরে হারিয়েছেন দুই চোখের আলো।
তালতলী উপজেলার ৭ নম্বর সোনাকাটা ইউনিয়নের ছোট আমখোলা গ্রামের বাসিন্দা বেল্লাল হোসেন ঢাকায় একটি হাসপাতালে চাকরি করতেন। গত ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। ওই ঘটনায় তিনি স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারান।
স্থানীয়দের মতে, বেল্লাল হোসেনের আত্মত্যাগ শুধু তাঁর পরিবারের নয়, পুরো তালতলী উপজেলার জন্য গর্ব ও বেদনার এক অনন্য ইতিহাস। গণঅভ্যুত্থানে তাঁর অবদান স্থানীয় মানুষের কাছে সাহস ও ত্যাগের প্রতীক হয়ে রয়েছে।
উপকূলীয় এই জনপদের সচেতন মহল দাবি জানিয়েছে, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী এবং স্থায়ীভাবে আহত বা অঙ্গহানির শিকার ব্যক্তিদের দ্রুত রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, যথাযথ পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা উচিত। তাদের মতে, বেল্লাল হোসেনের মতো যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।