1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
পরিচয়পত্র ছাড়া হকারি নয়, নির্ধারিত এলাকার বাইরে ব্যবসাও বন্ধ: ডিএসসিসি প্রশাসক ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে কিশোরীর মরদেহ, রেখে পালালেন দুই ব্যক্তি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কাঠের সেতু ভেঙে বিপত্তিতে এমপি আব্দুস সাত্তার সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডে মধ্যস্থতায় মামলা নিষ্পত্তির সুযোগ আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের তথ্য সঠিক নয়: তথ্যমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডনের জামিন নামঞ্জুর চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন চাঁদাবাজি মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে সাভারে আবারও প্রেসার কুকার থেকে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার, আতঙ্ক বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল সদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণ, আতঙ্ক বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে কিশোরীর মরদেহ, রেখে পালালেন দুই ব্যক্তি

এম আর রোমেল, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ট্রলিতে পড়ে ছিল এক কিশোরীর মরদেহ। তার পরনে ছিল ম্যাক্সি এবং হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে পাশে কোনো স্বজন ছিলেন না। ছিল না পরিচয়পত্র কিংবা চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো কাগজপত্রও।

জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) দুই ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায় ওই কিশোরীকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ট্রলিতে করে জরুরি বিভাগের সামনে পৌঁছে দিয়ে তারা ‘টিকিট কাটতে’ যাওয়ার কথা বলে সেখান থেকে চলে যান। পরে আর ফিরে আসেননি। এ ঘটনায় কিশোরীর পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।

বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, জরুরি বিভাগের সামনে একটি ট্রলিতে কিশোরীর মরদেহ পড়ে রয়েছে। আশপাশে রোগী ও স্বজনদের ভিড় থাকলেও তার পরিচয় জানেন না কেউ।

হাসপাতালের ট্রলিম্যান রউফ জানান, দুই ব্যক্তি তাড়াহুড়ো করে এসে একটি ট্রলি চান। পরে তারা কিশোরীকে ট্রলিতে তুলে জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পর পেছনে তাকিয়ে তিনি দেখেন, ওই দুই ব্যক্তি আর সেখানে নেই।

প্রত্যক্ষদর্শী রাসেল বলেন, দুই মধ্যবয়সী ব্যক্তি ট্রলির খোঁজ করছিলেন। তাদের একজন পাঞ্জাবি পরা ছিলেন। তিনি ট্রলিম্যানকে দেখিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ট্রলিটি জরুরি বিভাগের দিকে নিতে সহযোগিতা করেন। পরে ওই ব্যক্তিদের টিকিট কাউন্টারও দেখিয়ে দেন। তবে কিছুক্ষণ পর তাদের আর দেখা যায়নি।

হাসপাতালের আনসার সদস্য আবদুল কাদের ও হানিফ জানান, দুই ব্যক্তি দ্রুত কিশোরীকে হাসপাতালে নিয়ে এসে টিকিট কাটার কথা বলে চলে যান। এরপর তাদের আর দেখা যায়নি।

হাতে আঘাতের চিহ্ন, মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন

কিশোরীর হাতে আঘাতের চিহ্ন থাকায় তার মৃত্যুর কারণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ফারুক হোসেন জানান, মেয়েটি কিশোরী এবং তার হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, কোথা থেকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং কারা তাকে হাসপাতালে রেখে গেছে—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। যারা মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন, তারা স্বজন হলে তাকে এভাবে রেখে চলে যাওয়ার বিষয়টিও সন্দেহজনক।

এদিকে কিশোরীটি হাসপাতালে আনার আগেই মারা গিয়েছিল, নাকি হাসপাতালে আনার পর তার মৃত্যু হয়েছে—তাও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশের পক্ষ থেকে কিশোরীর পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি তাকে কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং হাসপাতালে রেখে যাওয়া দুই ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তদন্তে এসব তথ্য পাওয়া গেলে তার মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page