1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে কিশোরীর মরদেহ, রেখে পালালেন দুই ব্যক্তি

এম আর রোমেল, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ট্রলিতে পড়ে ছিল এক কিশোরীর মরদেহ। তার পরনে ছিল ম্যাক্সি এবং হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে পাশে কোনো স্বজন ছিলেন না। ছিল না পরিচয়পত্র কিংবা চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো কাগজপত্রও।

জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) দুই ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায় ওই কিশোরীকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ট্রলিতে করে জরুরি বিভাগের সামনে পৌঁছে দিয়ে তারা ‘টিকিট কাটতে’ যাওয়ার কথা বলে সেখান থেকে চলে যান। পরে আর ফিরে আসেননি। এ ঘটনায় কিশোরীর পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।

বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, জরুরি বিভাগের সামনে একটি ট্রলিতে কিশোরীর মরদেহ পড়ে রয়েছে। আশপাশে রোগী ও স্বজনদের ভিড় থাকলেও তার পরিচয় জানেন না কেউ।

হাসপাতালের ট্রলিম্যান রউফ জানান, দুই ব্যক্তি তাড়াহুড়ো করে এসে একটি ট্রলি চান। পরে তারা কিশোরীকে ট্রলিতে তুলে জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পর পেছনে তাকিয়ে তিনি দেখেন, ওই দুই ব্যক্তি আর সেখানে নেই।

প্রত্যক্ষদর্শী রাসেল বলেন, দুই মধ্যবয়সী ব্যক্তি ট্রলির খোঁজ করছিলেন। তাদের একজন পাঞ্জাবি পরা ছিলেন। তিনি ট্রলিম্যানকে দেখিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ট্রলিটি জরুরি বিভাগের দিকে নিতে সহযোগিতা করেন। পরে ওই ব্যক্তিদের টিকিট কাউন্টারও দেখিয়ে দেন। তবে কিছুক্ষণ পর তাদের আর দেখা যায়নি।

হাসপাতালের আনসার সদস্য আবদুল কাদের ও হানিফ জানান, দুই ব্যক্তি দ্রুত কিশোরীকে হাসপাতালে নিয়ে এসে টিকিট কাটার কথা বলে চলে যান। এরপর তাদের আর দেখা যায়নি।

হাতে আঘাতের চিহ্ন, মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন

কিশোরীর হাতে আঘাতের চিহ্ন থাকায় তার মৃত্যুর কারণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ফারুক হোসেন জানান, মেয়েটি কিশোরী এবং তার হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, কোথা থেকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং কারা তাকে হাসপাতালে রেখে গেছে—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। যারা মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন, তারা স্বজন হলে তাকে এভাবে রেখে চলে যাওয়ার বিষয়টিও সন্দেহজনক।

এদিকে কিশোরীটি হাসপাতালে আনার আগেই মারা গিয়েছিল, নাকি হাসপাতালে আনার পর তার মৃত্যু হয়েছে—তাও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশের পক্ষ থেকে কিশোরীর পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি তাকে কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং হাসপাতালে রেখে যাওয়া দুই ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তদন্তে এসব তথ্য পাওয়া গেলে তার মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page