
নিখোঁজের দুই দিন পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গুনিয়াউক ইউনিয়নের দক্ষিণ বেলমুড়া এলাকার একটি ডোবা থেকে ফরিদুল রহমান (৩৬) নামে এক মাদ্রাসা সুপারের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে নাসিরনগর থানা পুলিশ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পর নাসিরনগর উপজেলার গুনিয়াউক ইউনিয়নের দক্ষিণ বেলমুড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফরিদুল রহমান হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার রায়পুর গ্রামের ছাবির হোসেনের ছেলে। তিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর বাগে মদিনা ইবতেদায়ি মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফরিদুল রহমান। এরপর স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি।
শনিবার বিকেলে নাসিরনগর উপজেলার গুনিয়াউক ইউনিয়নের দক্ষিণ বেলমুড়া এলাকার একটি ডোবায় অর্ধগলিত মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। মরদেহের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ফরিদুল রহমানের পরিচয় শনাক্ত করেন।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহিনুল ইসলাম বলেন, দুই দিন আগে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন ফরিদুল। তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। শনিবার ডোবা থেকে তাঁর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
এটি হত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনই বলা সম্ভব নয় জানিয়ে ওসি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এদিকে মাধবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, মাদ্রাসা সুপার ফরিদুল রহমান নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।