আজ মঙ্গলবার দুপুরে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর মিছিলের পরে সন্ধ্যায় কলকাতায় বাংলাদেশের উপদূতাবাসের দিকে মিছিল করেন বামপন্থি দলগুলোর নেতাকর্মীরা। ঠিক দুপুরের মতোই, এই মিছিলও উপদূতাবাসের দুশো মিটার আগে পুলিশ থামিয়ে দেয়। বামপন্থিরা ব্যারিকেড ভাঙার কোনো চেষ্টা করেননি।
মিছিলে অংশ নেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) সংক্ষেপে সিপিআই (এম), সিপিআই, বিপ্লবী সমাজতন্ত্রী দল (এসএসপি), একতা দল এবং ফরোয়ার্ড ব্লক।
বামপন্থি নেতাদের বক্তৃতার মূল সুর ছিল—“বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে”। তারা বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন, সংবাদমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর ওপর হামলার বিরোধিতা করেন। তাদের কথায়, “ধর্মান্ধতার পাল্টা ধর্মান্ধতা হতে পারে না।”
সিপিআই (এম)-এর রাজ্য সম্পাদক মুহাম্মদ সেলিম বলেন,
“বাংলাদেশে যা হচ্ছে, সেকুলার ডেমোক্রেসিকে আক্রমণ করা হচ্ছে। যা কিছু মুক্ত চিন্তা প্রতীক, যা কিছু স্বাধীনতার প্রতীক এগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে ধ্বংস করা হচ্ছে। আমরা তার প্রতিবাদ করছি।”
তিনি আরও বলেন, “সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়” এবং সেটা বাংলাদেশে ও ভারতে দুই জায়গাতেই ঘটছে।
এর আগে দুপুরে ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়ের সামনে হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি সংগঠনের বিক্ষোভে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। পুলিশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রায় দুশো মিটার দূর পর্যন্ত তিনটি ব্যারিকেড স্থাপন করে। সমাবেশ শুরুর কিছুক্ষণ পরই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কি শুরু হয় এবং প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে ফেলা হয়। এরপর দ্বিতীয় ব্যারিকেড পর্যন্ত পৌঁছালে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়