
বুধবার (২৬ নভেম্বর) নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
“চলমান বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অনুরোধটি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। আমরা শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই লক্ষ্য অর্জনে আমরা সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।”
এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার তৃতীয়বারের মতো চিঠি পাঠায়।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) পাঠানো ওই চিঠির তথ্য রোববার (২৩ নভেম্বর) জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন,
“চিঠির জবাব এখনও আসেনি। নোট ভারবাল আমাদের মিশনের মাধ্যমে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এত তাড়াতাড়ি কোনো উত্তর আশা করি না।”
গত বছর ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। এরপর বাংলাদেশ দুই দফা চিঠি পাঠালেও ভারত সাড়া দেয়নি।
১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত বছরের আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
এই রায়ের পরই বাংলাদেশ তৃতীয়বারের মতো ভারতকে চিঠি পাঠায়। চিঠিতে বলা হয়—
বিস্তারিত বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করেছেন, তাই দুই দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
চিঠির জবাব না এলেও রায় ঘোষণার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানায়—
ভারত নিকট প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি, স্থিতিশীলতা ও জনগণের কল্যাণে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করবে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি
Leave a Reply