যশোরের ভাতুড়িয়ায় মুক্তেশ্বরী নদী দখল করে প্লট তৈরির ঘটনায় উচ্ছেদ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞায়। অক্টোবর মাসে জেলা নদী রক্ষা কমিটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিলেও পদক্ষেপে বিলম্বের সুযোগে দখলকারীরা আদালতের দ্বারস্থ হন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া ও ভাতুড়িয়া পূর্বপাড়ার মাঝের নদীর অংশ দীর্ঘদিনে ধীরে ধীরে ভরাট করা হয়েছে। জুলাইয়ে প্লট তৈরি করে বিক্রির নোটিশ দেয়ার পর গ্রামবাসী প্রতিবাদ শুরু করেন। তদন্তে দেখা গেছে, সরকারি খাল জমি অনিয়মের মাধ্যমে তিন ব্যক্তির নামে রেকর্ড হয়েছে।
২৯ অক্টোবর নদী রক্ষা কমিটি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত ভরাটকৃত অংশ পুনঃখননের নির্দেশ দেয়। কিন্তু ১ ডিসেম্বর জমির রেকর্ডধারী আদালতের কাছে গেলে সিভিল জজ আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কমলেশ মজুমদার জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করা হবে। তবে নদী দখল ও ব্যক্তিগত রেকর্ডের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উচ্ছেদ বিলম্বে ক্ষুব্ধ হরিণা বিলপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দ্রুত নদী খনন হলে প্রায় এক হাজার বিঘা জমিতে বোরো আবাদ সম্ভব হতো। ক্ষুব্ধ লোকজন আজ শুক্রবার ভাতুড়িয়া ছোট নারায়ণপুর ব্রিজে গণসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন।