1. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.media71bd.com : TV :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন

ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ালো এনবিআর

ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় দ্বিতীয় দফায় আরও এক মাস বাড়িয়েছে। ফলে এবার রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রথমে এই সময় ৩০ নভেম্বর নির্ধারিত ছিল, পরে তা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। রোববার এনবিআরের এক আদেশে পুনরায় সময়সীমা আরও এক মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

চলতি করবর্ষের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে, যেমন:

  • ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী করদাতা

  • শারীরিকভাবে অসক্ষম বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি

  • বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি

  • মৃত করদাতার পক্ষ থেকে আইনগত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্ন দাখিল

  • বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক

উক্ত করদাতারা চাইলে ই-রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। এ বছরের জন্য করদাতার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিও অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশির ক্ষেত্রে অনলাইনে রিটার্ন বাধ্যতামূলক না হলেও, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ই-মেইল অ্যাড্রেস ইত্যাদি তথ্য দিয়ে বিদেশ থেকে রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব।

বর্তমানে কোনো নথি বা দলিলাদি আপলোড ছাড়াই অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া যাচ্ছে। ব্যাংকিং সেবা বা মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় ই-রিটার্ন দাখিলের স্বীকারপত্র পাওয়া যায়।

ই-রিটার্ন সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় করদাতাদের সহায়তার জন্য এনবিআর একটি কল সেন্টার চালু করেছে। ০৯৬৪৩৭১৭১৭১ নম্বরে ফোন করে তাৎক্ষণিক সমাধান পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া সারাদেশের সব কর অঞ্চলে স্থাপিত ই-রিটার্ন হেল্প-ডেস্ক থেকেও সহায়তা মিলছে।

চলতি করবর্ষে শনিবার পর্যন্ত ২৮ লাখ ৮৫ হাজার করদাতা রিটার্ন দাখিল করেছেন।

গত বছর কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য শেষ সময় ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময় শেষ হলেও জরিমানা দিয়ে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রয়েছে।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে আয়কর আইন অনুযায়ী মাসিক ২ শতাংশ হারে বিলম্ব সুদ দিতে হবে। এছাড়া কর নির্ধারণ প্রক্রিয়াতেও পরিবর্তন আসবে; তখন করদাতাকে মোট আয়ের ওপর কর পরিশোধ করতে হবে। এই ক্ষেত্রে করদাতা আয়কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত হবেন না এবং কর রেয়াতও পাবেন না। মাসের হিসাবের ক্ষেত্রে ভগ্নাংশ মাসও পূর্ণাঙ্গ মাস হিসেবে গণ্য হবে।

More News Of This Category

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!