জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রকাশ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল প্রকাশ করবে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড–এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির।
তিনি জানান, বুধবার দুপুর ১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে দেশের সব শিক্ষা বোর্ড বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা সম্বলিত গেজেট প্রকাশ করবে। বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গেজেট থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবে।
গত ২৮ ডিসেম্বর শুরু হয়ে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২৮ ডিসেম্বর বাংলা, ২৯ ডিসেম্বর ইংরেজি, ৩০ ডিসেম্বর গণিত এবং ৫ জানুয়ারি বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৫ সালে অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬০ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড–এর তদারকিতে দেশের নয়টি শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার ফল প্রক্রিয়াকরণ করছে।
এ বছর মোট ৪৬ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হবে। এর মধ্যে ১৪ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুল বা মেধাবৃত্তি এবং ৩১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী সাধারণ বৃত্তি পাবে।
মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বছরে এককালীন ৫৬০ টাকা এবং প্রতি মাসে ৪৫০ টাকা করে বৃত্তি পাবে। আর সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা বছরে ৩৫০ টাকা এবং প্রতি মাসে ৩০০ টাকা করে বৃত্তি পাবে। আগামী দুই বছর তারা এই সুবিধা পাবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কোটা বণ্টন অনুযায়ী, ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৬৩৫ জন মেধাবৃত্তি ও ৭ হাজার ৭৯০ জন সাধারণ বৃত্তি পাবে। এছাড়া ময়মনসিংহ বোর্ডে ৯৬৭ জন মেধাবৃত্তি ও ২ হাজার ৭৩ জন সাধারণ বৃত্তি, রাজশাহী বোর্ডে ১ হাজার ৯২৬ জন মেধাবৃত্তি ও ৪ হাজার ১২৮ জন সাধারণ বৃত্তি, কুমিল্লা বোর্ডে ১ হাজার ৬৭৭ জন মেধাবৃত্তি ও ৩ হাজার ৫৯৩ জন সাধারণ বৃত্তি, সিলেট বোর্ডে ৯৪৮ জন মেধাবৃত্তি ও ২ হাজার ৩০ জন সাধারণ বৃত্তি এবং বরিশাল বোর্ডে ৮৭৩ জন মেধাবৃত্তি ও ১ হাজার ৮৭১ জন সাধারণ বৃত্তি পাবে।
এছাড়া যশোর বোর্ডে ১ হাজার ৬৬২ জন মেধাবৃত্তি ও ৩ হাজার ৫৬১ জন সাধারণ বৃত্তি, চট্টগ্রাম বোর্ডে ১ হাজার ২১০ জন মেধাবৃত্তি ও ২ হাজার ৫৯৩ জন সাধারণ বৃত্তি এবং দিনাজপুর বোর্ডে ১ হাজার ৮০২ জন মেধাবৃত্তি ও ৩ হাজার ৮৬১ জন সাধারণ বৃত্তি পাবে।
অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ভিত্তিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে এ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৪০০ নম্বরের পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ১০০ নম্বর করে এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে পরীক্ষা নেওয়া হয়। প্রতিটি পরীক্ষা ছিল তিন ঘণ্টার।







