রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন দৃষ্টান্তের ইঙ্গিত দিয়ে তারেক রহমান গিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান–এর বাসভবনে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর ইতিবাচক ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি।
বিএনপির প্রেস উইং জানায়, রোববার রাত ৭টায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত জামায়াতের আমিরের বাসভবনে যান তারেক রহমান। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘ইতিবাচক রাজনীতির অংশ হিসেবে’ এ সাক্ষাতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ রাজনৈতিক সহনশীলতা ও পরিপক্বতার বার্তা দেয় এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা জোরদারে সহায়ক হতে পারে। ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণেও এমন বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মনে করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি একাই জয় পেয়েছে ২০৯টি আসনে। জোটের শরিকরা পেয়েছে আরও ৩টি আসন। সব মিলিয়ে পরবর্তী সংসদে বিএনপি জোটের আসনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১২। আরও দুটি আসনে বিএনপির জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
এবার প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ঢাকা ও বগুড়া থেকে দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান।
বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বার্তায় তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। জনগণের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।
এর আগে ২০০১ সালে চারদলীয় জোটের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। ওই নির্বাচনে দলটি একাই পেয়েছিল ১৯৩টি আসন এবং জোটসহ মোট আসন ছিল ২১৬। সে সময় প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়