ইরানে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার মধ্যে নিজ নাগরিকদের দ্রুত ইসরায়েল ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে আপাতত দেশটিতে ভ্রমণ না করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। এতে বলা হয়েছে, যতক্ষণ বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু আছে, সেই সময়ের মধ্যেই নাগরিকদের ইসরায়েল ত্যাগের পরিকল্পনা করতে হবে।
এর আগে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওই বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি দুই পক্ষ। আগামী সপ্তাহে আবারও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে দুটি রণতরীসহ এক ডজন যুদ্ধজাহাজ এবং কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছেন। আলোচনায় অগ্রগতি না হলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরও দ্রুত দেশ ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছেন। দূতাবাসের স্টাফদের পাঠানো এক ইমেইলে তিনি বলেন, যে দেশেরই বিমানের টিকিট পাওয়া যায় সেটি নিয়ে দ্রুত ইসরায়েল থেকে বের হয়ে যেতে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার শর্ত দিয়েছে। এমনকি দেশটির তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা ভেঙে ফেলতেও বলেছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে সম্ভাব্য চুক্তির মেয়াদ অনির্দিষ্টকাল হোক। তবে ইরান নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পারমাণবিক কার্যক্রম স্থগিত রাখার প্রস্তাবে অনড় রয়েছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়