ইরানের ওপর যে কোনো ধরনের হামলাকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা শুক্রবার এ কথা জানান এবং বলেন, এমন পরিস্থিতিতে ইরান ‘সবচেয়ে কঠিন জবাব’ দেবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পারস্য উপসাগরের দিকে মার্কিন নৌবাহিনীর বিশাল রণতরি বহর পাঠানোর ঘোষণা দেওয়ার পরই ইরানের পক্ষ থেকে এ সতর্কবার্তা আসে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, “আমরা আশা করছি, এই সামরিক তৎপরতা সরাসরি সংঘাতের উদ্দেশ্যে নয়। তবে সবচেয়ে বাজে পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। এ কারণেই দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যেভাবেই হামলার নাম দিক—সীমিত, সার্জিক্যাল বা অন্য কিছু—ইরান তা সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবেই দেখবে এবং সে অনুযায়ী কঠোর জবাব দেওয়া হবে।”
এর আগে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন রণতরি বহর ব্যবহার করার প্রয়োজন নাও হতে পারে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি ও বিক্ষোভ দমনের বিষয় নিয়ে তিনি ইরানকে আবারও হুঁশিয়ারি দেন।
জবাবে ইরানের ওই কর্মকর্তা বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করে, তাহলে অবশ্যই জবাব দেওয়া হবে।” তবে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার ধরন তিনি স্পষ্ট করেননি।
উল্লেখ্য, অতীতেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লে ওয়াশিংটন অতিরিক্ত সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে। গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার আগেও অঞ্চলটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছিল।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়