1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

মেজর মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লিমন, স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ১৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া চাকরিচ্যুত মেজর মোজাফফর হোসেনের বিচার সেনা আইনেই (মিলিটারি অ্যাক্ট) হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (২০ জুলাই) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একই ব্যক্তিকে একই অপরাধে দুটি পৃথক আইনে বিচার করা যায় না। জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অন্য অভিযুক্তদের বিচার সেনা আইনের আওতায় জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে হয়েছে। মেজর মোজাফফর এতদিন পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারের পর সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং সেনা আইনের বিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী জেনারেল কোর্ট মার্শাল গঠন করে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর বিদ্রোহের অভিযোগে সামরিক আদালতে ১৮ জন সেনা কর্মকর্তার বিচার হয়েছিল। এর মধ্যে ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় এবং বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

একই ঘটনায় চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানায় একটি ফৌজদারি মামলাও হয়েছিল। ওই মামলার ছয় নম্বর আসামি ছিলেন মেজর মোজাফফর হোসেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি রাষ্ট্রপতির কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন।

পরে মামলাটির তদন্তভার পায় সিআইডি। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ও সিআইডি আদালতের কাছ থেকে ১৭৩ বার সময় নেয়। শেষ পর্যন্ত ২০০১ সালের ২৪ অক্টোবর সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবের কথা উল্লেখ করে সিআইডি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। বাদীপক্ষ ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন না করায় মামলাটি পুনঃতদন্ত হয়নি।

এর মধ্যে গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে মিয়ানমার সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশিদের হতাহতের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাইন শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ইতোমধ্যে বিজিবির কাছে দেওয়া হয়েছে এবং তারা তা ব্যবহার করছে।

মিয়ানমার ও ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিয়ানমার সীমান্তের পরিস্থিতি ভারতের সীমান্তের তুলনায় ভিন্ন এবং অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানে আরাকান আর্মি, আরএসও, আরসাসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘাত এবং মাদক পাচারের ঝুঁকি থাকায় সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা প্রয়োজন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page