1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধে সুড়ঙ্গ করে ড্রেজারের পাইপ, বাড়ছে ঝুঁকি

কালাম, চাঁদপুর রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দেশের অন্যতম বৃহৎ মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধের নিচে সুড়ঙ্গ করে একাধিক স্থানে ড্রেজারের পাইপ বসানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের জন্য এসব পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা বর্ষা মৌসুমে গুরুত্বপূর্ণ এই বাঁধের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, ষাটনল ইউনিয়নের সুগন্ধি এলাকা থেকে মোহনপুর ইউনিয়নের পর্যটন কেন্দ্রের দক্ষিণ পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় অন্তত তিনটি স্থানে বাঁধের নিচে সুড়ঙ্গ করে ড্রেজারের পাইপ স্থাপন করা হয়েছে। আগে এসব পাইপ সড়কের ওপর দিয়ে নেওয়া হলেও প্রশাসনের অভিযানের পর নতুন কৌশলে মাটির নিচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে স্থায়ীভাবে পাইপ বসানো হচ্ছে।

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পশ্চিম পাশে মেঘনা নদী এবং অন্য তিন পাশে ধনাগোদা নদী থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই এ এলাকায় অবৈধ ড্রেজিং ও পাইপ স্থাপনের অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই নদী থেকে বালু উত্তোলনে এসব পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে বাঁধের ভেতরের মাটি দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং বর্ষা মৌসুমে বাঁধ ধসে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ড্রেজার মালিকদের প্রভাবের কারণে তারা প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পান। তবে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী দাবি করেন, সুগন্ধি এলাকায় হাসান নামে এক ব্যক্তি ড্রেজারের পাইপ স্থাপন করেছেন। অন্যদিকে মোহনপুর এলাকায় কারা পাইপ বসিয়েছেন, সে বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি হননি। স্থানীয়দের ভাষ্য, ড্রেজার মালিকরা রাতের বেলায় নদীতে অবস্থান করে কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বর্ষাকালে বাঁধে ফাটল বা ধস দেখা দিলে হাজার হাজার কৃষক, বসতবাড়ি এবং বিস্তীর্ণ কৃষিজমি প্লাবিত হতে পারে। এমন ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও অবৈধ পাইপ অপসারণে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, অতীতে একাধিকবার এসব ড্রেজারের পাইপ অপসারণ করা হলেও পরে আবার স্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি সেচ প্রকল্প কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, যাতে স্থায়ীভাবে পাইপ বসানোর পথ বন্ধ করা যায়।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা ড্রেজার মালিকদের পরিচয় দিতে অনাগ্রহী হওয়ায় আইনি ব্যবস্থা নিতে কিছুটা জটিলতা তৈরি হচ্ছে। তবে খুব শিগগিরই আবার অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেচ প্রকল্পের বিভিন্ন অংশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করলেও বাঁধের নিচে সুড়ঙ্গ করে পাইপ বসানোর বিষয়টি দৃশ্যমান হওয়ার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণেই দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সেচ প্রকল্প বারবার ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

চাঁদপুর মেঘনা-ধনাগোদা পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সেলিম শাহেদ বলেন, বিষয়টি তার জানা হয়েছে। তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের নোটিশ দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page