
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বৃত্তির হার ও অর্থায়ন কাঠামো নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে পরবর্তী তিন বছর নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত হারে বৃত্তির আর্থিক সুবিধা পাবেন।
নির্ধারিত হার অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল বা মেধাক্রমের ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ২২৫ টাকা করে পাবেন। এছাড়া উভয় ক্যাটাগরির বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বছর শেষে এককালীন ২২৫ টাকা করে সহায়ক অনুদান পাবেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের গত ২৫ আগস্টের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী তিন বছর ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডের বৃত্তি কার্যক্রম চালু থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৃত্তিধারী শিক্ষার্থীদের ভালো আচরণ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি এবং সন্তোষজনক পাঠোন্নতির ভিত্তিতে নিয়মিত বৃত্তির অর্থ ছাড় করা হবে।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা দেশের যেকোনো সরকারি বা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ বিনা বেতনে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।
বৃত্তির অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। এজন্য অভিভাবকদের অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন তফসিলভুক্ত যেকোনো ব্যাংকে হিসাব থাকতে হবে। বৃত্তির জন্য বরাদ্দ অর্থ সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের শেষ দিন, অর্থাৎ প্রতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে অবশ্যই উত্তোলন করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, প্রকাশিত বৃত্তির ফলাফল বা তালিকায় কোনো ধরনের ভুল বা ত্রুটি পাওয়া গেলে তা সংশোধন, বাতিল কিংবা পুনর্বণ্টনের পূর্ণ ক্ষমতা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের হাতে সংরক্ষিত থাকবে।