কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল প্রায় ৩০ ফুট গভীরে গিয়ে বাসটির অবস্থান শনাক্ত করে। তবে বাসটি পন্টুনের নিচে থাকায় দরজা-জানালা ভাঙা সম্ভব হচ্ছে না, ফলে উদ্ধার কাজ জটিল হয়ে পড়েছে।
উদ্ধার অভিযানে গোয়ালন্দ ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট এবং আরিচা ফায়ার স্টেশনের একটি ডুবুরি ইউনিট কাজ করছে। এছাড়া ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে আরও দুটি ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের ভাষ্যমতে, দুর্ঘটনার পরপরই ৫ থেকে ৭ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তবে এখনও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, পানির নিচে বাসটির অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র সহায়তায় বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন, উদ্ধারকারী জাহাজ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি করেছে এবং ডুবুরি দলও প্রায় এক ঘণ্টা পর উদ্ধার কাজ শুরু করে।
দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া যাত্রী আবদুল আজিজুল জানান, তিনি কালুখালী উপজেলার গান্ধীমারা এলাকা থেকে বাসে উঠেছিলেন। নদীতে পড়ে যাওয়ার পর তিনি সাঁতরে উঠতে পারলেও তার স্ত্রী ও শিশুসন্তান এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা বলেন, ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই বাসটি নদীতে পড়ে যায় এবং উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়