
চলতি মৌসুমে লক্ষ্মীপুর জেলায় প্রায় ৭১০ কোটি টাকার সুপারি বেচাকেনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সুপারির জমজমাট মৌসুমকে ঘিরে জেলার হাটবাজারগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা। একই সঙ্গে গাছ থেকে সুপারি পাড়ার শ্রমিকেরাও পাচ্ছেন ভালো আয়ের সুযোগ।
জেলার মাটি ও আবহাওয়া সুপারি চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছরই এ অঞ্চলে সুপারির ভালো উৎপাদন হয়। এবার উৎপাদিত সুপারির প্রায় ৬০ শতাংশ পানিতে ভিজিয়ে এবং বাকি ৪০ শতাংশ কাঁচা ও রোদে শুকিয়ে বাজারজাত করার প্রস্তুতি চলছে।
লক্ষ্মীপুর শহরের উত্তর তেহমনী বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে সুপারি কেনাবেচা জমে উঠেছে। বর্তমানে প্রতি পণ পাকা সুপারি ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা এবং প্রতি কাউন ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সুপারি পাড়ার শ্রমিকদের আয়ও বেড়েছে। প্রতিটি গাছ থেকে সুপারি পেড়ে ১০ টাকা মজুরি পান তাঁরা। দিনে ২৫০ থেকে ৩০০টি গাছে উঠতে পারলে একজন শ্রমিকের আয় দাঁড়ায় আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুরে বর্তমানে প্রায় ৭ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে। একবার গাছ রোপণ করলে ৩০ বছরেরও বেশি সময় ফলন পাওয়া যায়। দীর্ঘমেয়াদি লাভের সম্ভাবনা থাকায় এ অঞ্চলে সুপারি চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।