পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ওই ঘটনার পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করারও চেষ্টা চালানো হয়।
রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে এমন কিছু কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, যার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো সময়কালেও সেনাবাহিনী তাদের দায়িত্ব পালন করেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সেনাবাহিনী স্বতঃস্ফূর্তভাবে দায়িত্ব পালন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, পরিবার বা দলের সম্পত্তি নয়। এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি এবং মর্যাদার প্রতীক। সংবিধানের প্রতি আনুগত্য এবং জনগণের আস্থা—এই দুই বিষয়ই সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ভিত্তি হওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের প্রধান ও পবিত্র দায়িত্ব।
তারেক রহমান বলেন, “আমরা এমন একটি সশস্ত্র বাহিনী চাই, যাদেরকে বহিঃশক্তি সম্মান করবে এবং দেশের জনগণ আস্থায় রাখবে। পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে কোনো আপস না করে বাহিনীকে সবসময় উচ্চ মর্যাদার অবস্থানে থাকতে হবে।”
তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন স্তরে যে দেশপ্রেমের চেতনা তিনি জাগিয়ে তুলেছিলেন, তা যেন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকে।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহারযোগ্য নহে