পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ে নতুন মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেতুটি উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত সংগৃহীত মোট টোলের পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগের বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পর থেকে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করেছে পদ্মা সেতু। একই সঙ্গে সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা ও রাজস্ব আদায় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
পদ্মা সেতু চালুর ফলে যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে সাশ্রয় হচ্ছে, পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত এবং শিল্পজাত পণ্য পরিবহনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সেতুর দুই প্রান্ত মাওয়া ও জাজিরায় স্থাপিত আধুনিক ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) ব্যবস্থা টোল আদায় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করেছে। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়ের ফলে টোল প্লাজায় যানবাহনকে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না, এতে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় হচ্ছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের বিশেষ দিকনির্দেশনা এবং সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানেই এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়।
টোল আদায়ের এই মাইলফলক অর্জনে অবদান রাখায় গাড়ির মালিক, চালক ও শ্রমিক, সেতুর দুই পাড়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট অপারেটর, সাইট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়