
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে পূজামণ্ডপের আয়োজক ও দর্শনার্থীদের জন্য পাঁচ দফা বিশেষ পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। গুজব প্রতিরোধ, মণ্ডপের নিরাপত্তা জোরদার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, নির্ধারিত পথে প্রতিমা বিসর্জন এবং জরুরি প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব পরামর্শ জানানো হয়।
পুলিশের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য বা ঘটনার সত্যতা যাচাই না করে তা ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো পোস্টে লাইক, মন্তব্য বা শেয়ার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা যাবে না।
পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নারী ও পুরুষ দর্শনার্থীদের জন্য পৃথক প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মণ্ডপে ব্যাগ, থলে বা পোঁটলা নিয়ে প্রবেশ না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা ও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপে আর্চওয়ে গেট স্থাপন, মণ্ডপ ও প্রতিমা বিসর্জনস্থলে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা রাখার কথাও বলা হয়েছে।
এ ছাড়া পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তাঁদের সহজে শনাক্ত করার জন্য পৃথক পোশাক, দৃশ্যমান পরিচয়পত্র এবং ‘স্বেচ্ছাসেবক’ লেখা আর্মব্যান্ড ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের এসব পরামর্শের মূল লক্ষ্য হলো পূজার সময় সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি কমানো, গুজব ও বিভ্রান্তি প্রতিরোধ করা এবং সব সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা।