1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
কানাডার সামরিক প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে আগুন, নিহত ৪ সেনাসদস্য, আহত ৩৯ সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে পূর্বধলায় মানববন্ধন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সাতক্ষীরা সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা : দুর্গাপূজায় ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন পূর্বধলার গোহালাকান্দায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ইউএনও-ওসি-পুলিশ প্রশাসন ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের ইশরাকের পিস্তল উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান, শপথ ভঙ্গের অভিযোগ জামায়াতের কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে ১০ মৃত্যু: সতর্কবার্তা ও জরিমানার পরও চলছিল কার্যক্রম দাদার মৃত্যুর পর এতিম নাতি-নাতনির দায়িত্ব কার? ইসলামে যা বলা হয়েছে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের খবর গুজব, দাবি প্রতিমন্ত্রীর ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন, দাবি নাকচ করলেন প্রতিমন্ত্রী

দাদার মৃত্যুর পর এতিম নাতি-নাতনির দায়িত্ব কার? ইসলামে যা বলা হয়েছে

ইসলামিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

দাদার মৃত্যুর পর এতিম নাতি-নাতনির অধিকার, সম্পদের সুরক্ষা ও ভরণপোষণ নিয়ে ইসলামে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। বিশেষ করে উত্তরাধিকার বণ্টনের সময় এতিম ও অসহায় আত্মীয়দের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ, তাদের সম্পদ সংরক্ষণ এবং যথাযথ অভিভাবকত্ব নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেন, উত্তরাধিকার বণ্টনের সময় আত্মীয়স্বজন, এতিম ও মিসকিন উপস্থিত থাকলে তাদের কিছু দেওয়ার এবং তাদের সঙ্গে সদয়ভাবে কথা বলার নির্দেশ রয়েছে। আয়াতটি সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে মানবিকতা ও অসহায়দের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের গুরুত্ব তুলে ধরে।

ইসলামে এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ২ নম্বর আয়াতে এতিমদের সম্পদ তাদের বুঝিয়ে দিতে এবং নিজেদের সম্পদের সঙ্গে মিশিয়ে অন্যায়ভাবে তা ভোগ না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আয়াতটিতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে মহাপাপ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া সুরা নিসার ৬ নম্বর আয়াতে এতিমদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া এবং তাদের মধ্যে সম্পদ পরিচালনার উপযুক্ত বিবেচনাবোধ তৈরি হওয়া পর্যন্ত তত্ত্বাবধানের নির্দেশ রয়েছে। তারা সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সক্ষম হলে তাদের সম্পদ বুঝিয়ে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে এতিমদের আর্থিক নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীলভাবে বেড়ে ওঠার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

এতিমের দেখভালে অভিভাবকের ভূমিকা

দাদার মৃত্যুর পর কোনো শিশু এতিম হলে তার ভরণপোষণ, নিরাপত্তা, শিক্ষা ও মানসিক বিকাশের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি উপযুক্ত অভিভাবকের দায়িত্ব হলো শিশুটির কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং তার সম্পদ থাকলে তা সুরক্ষিত রাখা।

তবে এতিম নাতি-নাতনি দাদার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে কি না, তা নির্ভর করে উত্তরাধিকারসংক্রান্ত পরিস্থিতি ও প্রযোজ্য বিধানের ওপর। এ ক্ষেত্রে দাদার জীবদ্দশায় তাঁর ছেলে বা মেয়ে মারা গেছেন কি না, অন্য উত্তরাধিকারী কারা রয়েছেন এবং কোনো বৈধ অসিয়ত করা হয়েছিল কি না—এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। তাই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ইসলামী উত্তরাধিকার বিধান সম্পর্কে অভিজ্ঞ আলেম ও প্রয়োজনে আইনজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

এতিমের সেবায় বিশেষ মর্যাদা

ইসলামে এতিম ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বিধবা ও দরিদ্র মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসার বিশেষ ফজিলত বর্ণনা করেছেন।

সহিহ বুখারির ৫৩৫৩ নম্বর হাদিসে বিধবা ও দরিদ্র ব্যক্তির জন্য প্রচেষ্টাকারীকে আল্লাহর পথে জিহাদকারীর মতো মর্যাদার অধিকারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই হাদিসে রাতভর ইবাদতকারী ও দিনের বেলা রোজা পালনকারীর সঙ্গে তাঁর তুলনা করা হয়েছে।

ইসলামের এসব নির্দেশনা থেকে স্পষ্ট হয়, এতিমের অধিকার রক্ষা, তার সম্পদ সংরক্ষণ এবং তার জীবনযাপনের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা মুসলিম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক দায়িত্ব। পরিবারের অসহায় শিশুদের প্রতি সহমর্মিতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page