
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদা করে কোনো আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে কোনো ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম তদন্তের সময় যদি তার বা অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, মো. সাহাবুদ্দিন সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে কারণে তাকে লক্ষ্য করে পৃথক কোনো অনুসন্ধান চালাবে না নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে দেশের আর্থিক খাতে চলমান ব্যাংকভিত্তিক তদন্তে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। পরদিন রোববার তিনি বঙ্গভবন ছেড়ে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবনে ওঠেন।
এদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্তের আবেদন করা হয়েছে। রোববার বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগ দাখিল করা হয়।
এ বিষয়ে একই দিন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাংবিধানিকভাবে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রপতি আইনি সুরক্ষা (প্রিভিলেজ) ভোগ করেন। সে সময়ের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যায় না। তবে দায়িত্বের বাইরের কোনো বিষয়ে অভিযোগ উঠলে তা নিয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার রয়েছে। সরকারের কাছে এ পর্যন্ত এমন কোনো অভিযোগ আসেনি, যা আমলে নেওয়ার মতো বলে বিবেচিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে এনসিপির পক্ষ থেকে কিছু অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। তবে সেসব অভিযোগের মধ্যে এখন পর্যন্ত সরকারের দৃষ্টিতে তদন্তযোগ্য কোনো বিষয় পাওয়া যায়নি।