
বরগুনার তালতলী উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের মালিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. সেলিমকে প্রতারণা মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে গেলে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোনতাজ এলাকার অটোরিকশাচালক আ. রহিমকে বিদেশি মুদ্রা (রিয়াল) দেওয়ার প্রলোভন দেখান মো. সেলিম। এ সময় আ. রহিম সুদে টাকা ধার করেন এবং জীবিকার একমাত্র সম্বল অটোরিকশা বিক্রি করে মোট ৬ লাখ টাকা সেলিমের হাতে তুলে দেন।
অভিযোগ রয়েছে, টাকা নেওয়ার পর মো. সেলিম ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিনেও প্রতিশ্রুত রিয়াল বা টাকা ফেরত না পেয়ে আ. রহিম সেলিমের খোঁজে তালতলীতে যান। সেখানে স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, সেলিমের বিরুদ্ধে প্রতারণার একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
পরে আ. রহিম বাদী হয়ে রাঙ্গাবালী থানায় মো. সেলিমের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর সেলিম দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মঙ্গলবার আদালতে হাজির হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বাদী আ. রহিম প্রতারকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি প্রতারণার মাধ্যমে হারানো ৬ লাখ টাকা ফেরত পাওয়ারও দাবি জানান।