1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
নাসিরনগরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজদু মিয়া, শারদীয় শুভেচ্ছা নাম-বেনাম ভুয়া আইডির ছোবলে বিপর্যস্ত সামাজিক সম্প্রীতি, মানহানি ও অর্থ প্রতারণার ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ কানাডার সামরিক প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে আগুন, নিহত ৪ সেনাসদস্য, আহত ৩৯ সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে পূর্বধলায় মানববন্ধন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সাতক্ষীরা সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা : দুর্গাপূজায় ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন পূর্বধলার গোহালাকান্দায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ইউএনও-ওসি-পুলিশ প্রশাসন ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের ইশরাকের পিস্তল উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান, শপথ ভঙ্গের অভিযোগ জামায়াতের কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে ১০ মৃত্যু: সতর্কবার্তা ও জরিমানার পরও চলছিল কার্যক্রম দাদার মৃত্যুর পর এতিম নাতি-নাতনির দায়িত্ব কার? ইসলামে যা বলা হয়েছে

রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন পেশাগত দায়িত্বে বাধা না হয়: প্রধানমন্ত্রী

মিডিয়া ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা পেশাজীবীরা নিজ নিজ মতাদর্শ অনুযায়ী রাজনৈতিকভাবে সচেতন বা সংগঠিত থাকবেন—এটি অযৌক্তিক নয়। তবে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদের এলডি হলে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে তিনি সমাবেশের উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রায় সব কাজকেই প্রভাবিত করে। তাই শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পেশাজীবীরা নিজ নিজ মতাদর্শ অনুযায়ী রাজনৈতিকভাবে সচেতন বা সংগঠিত থাকবেন—এটি অযৌক্তিক নয়। তবে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন না ঘটায় বা বিঘ্ন ঘটার কারণ না হয়, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এ বিষয়ে ড্যাবের চিকিৎসকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে সরকারের নীতি ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষকে শুরুতেই রোগের কারণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করা গেলে অনেক রোগ সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

মার্কিন ব্যবসায়ী ও উদ্ভাবক থমাস এডিসনের একটি বক্তব্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের চিকিৎসকদের কাজ শুধু ওষুধ দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং মানুষকে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস ও রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যসেবা নীতির সঙ্গে এ চিন্তার মিল রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব স্বাস্থ্যকর্মী নাগরিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতন ও সতর্ক করবেন। তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নেতৃত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন খাতে এ পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

এ সময় ড্যাবের পক্ষ থেকে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও চিকিৎসাসেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

চিকিৎসকদের দাবিগুলোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের অবস্থান থেকে এসব দাবি অযৌক্তিক নয়। তবে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় একটি দুর্বল অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন এবং ভঙ্গুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা পেয়েছে। সেই অবস্থা থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সরকার কাজ করছে।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বহু মানুষ এ মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকটে ভুগছেন—সরকার বিষয়টি অস্বীকার করছে না।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে জ্বালানি খাতে অপরিকল্পিতভাবে নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম এবং নির্দিষ্ট মহলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য গৃহীত কিছু নীতির খেসারত এখন দেশ ও জনগণকে বহন করতে হচ্ছে।

অপরিকল্পিত কার্যক্রমের কারণে জ্বালানি খাত যে সংকটের মুখে পড়েছে, তা সংশোধন করে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে ধীরে ধীরে এ সংকট থেকে বের করে আনার কাজ সরকার শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে চিকিৎসকদের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার পরিসর বাড়াতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করলেই স্বাস্থ্য খাতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসবে না। চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা নিয়ে নিজেদের দায়িত্বের প্রতি নিবেদিত থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দায়িত্ব পালনে অনিচ্ছাকৃত অবহেলা বা গাফিলতি একদিকে সরকারের সামগ্রিক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, অন্যদিকে চিকিৎসক ও চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পর্কে মানুষের মধ্যে অনাস্থা তৈরি করে। দেশের মানুষ চিকিৎসকদের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকা প্রত্যাশা করে।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী এমন একটি চিকিৎসাবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হতে হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page