1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
নাসিরনগরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজদু মিয়া, শারদীয় শুভেচ্ছা নাম-বেনাম ভুয়া আইডির ছোবলে বিপর্যস্ত সামাজিক সম্প্রীতি, মানহানি ও অর্থ প্রতারণার ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ কানাডার সামরিক প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে আগুন, নিহত ৪ সেনাসদস্য, আহত ৩৯ সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে পূর্বধলায় মানববন্ধন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সাতক্ষীরা সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা : দুর্গাপূজায় ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন পূর্বধলার গোহালাকান্দায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ইউএনও-ওসি-পুলিশ প্রশাসন ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের ইশরাকের পিস্তল উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান, শপথ ভঙ্গের অভিযোগ জামায়াতের কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে ১০ মৃত্যু: সতর্কবার্তা ও জরিমানার পরও চলছিল কার্যক্রম দাদার মৃত্যুর পর এতিম নাতি-নাতনির দায়িত্ব কার? ইসলামে যা বলা হয়েছে

বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো এলপিপি

মিডিয়া ডেস্ক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে পোল্যান্ডের পোশাক ব্র্যান্ড এলপিপি। রাশিয়ার ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান এফইএস রিটেইলের কাছে কয়েকজন বাংলাদেশি রপ্তানিকারকের পাওনা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কারণে সম্প্রতি বাংলাদেশে ব্যবসা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। তবে এখন আগের মতোই বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এলপিপি।

তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও এলপিপি এসএ এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং এলপিপি এসএর পরিচালক দোরোতা ইয়ানকোভস্কা-তোমকুভ স্বাক্ষর করেন। মঙ্গলবার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানায় বিজিএমইএ।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, তৃতীয় পক্ষের বিরোধের কারণে এলপিপির সঙ্গে বাংলাদেশের ৩৫০টির বেশি তৈরি পোশাক সরবরাহকারীর ব্যবসা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে। এফইএস রিটেইলের দেনা পরিশোধে এলপিপি আইনিভাবে বাধ্য কোনো পক্ষ নয়। তবে নিজস্ব আইনি অবস্থান অক্ষুণ্ন রেখে এফইএস রিটেইলের দেনা পরিশোধের বিষয়ে গঠনমূলক সংলাপে সহায়তা করবে এলপিপি।

এফইএস রিটেইলের কাছে অর্থপ্রাপ্তির দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে উপস্থাপন করা উচিত, যারা এ বিষয়ে আইনিভাবে দায়বদ্ধ—এলপিপির এই অবস্থানকে বিবেচনায় নিয়েছে বিজিএমইএ। তবে দুই পক্ষই স্বীকার করেছে, ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলো কঠিন বাণিজ্যিক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। এসব দায়দেনা নিষ্পত্তির যেকোনো আলোচনা আইনিভাবে দায়বদ্ধ পক্ষের সঙ্গেই হওয়া উচিত বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিজিএমইএ ও এলপিপি মনে করে, ঢালাও বা বিভ্রান্তিকর প্রচার এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রচার অন্য প্রস্তুতকারক, কর্মী কিংবা এলপিপি ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

এলপিপি জানিয়েছে, বাংলাদেশে সম্প্রতি তাদের কিছু সোর্সিং কার্যক্রম পর্যালোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় কর্মীদের সুরক্ষা, আইনি নিশ্চয়তা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমের জন্য স্থিতিশীল, অনুমানযোগ্য ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা। এ পর্যালোচনা কোনো প্রস্তুতকারকের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়নি। একই সঙ্গে বাংলাদেশে তাদের সব প্রত্যক্ষ চুক্তিভিত্তিক দায়বদ্ধতা পালনের প্রতিশ্রুতিতেও কোনো পরিবর্তন আসেনি।

এফইএস রিটেইলের কাছে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ৪০টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪ কোটি ডলার রপ্তানি অর্থ পাওনা রয়েছে। রপ্তানিকারকদের দাবি, এলপিপির ঢাকা কার্যালয় থেকে নিশ্চয়তা পাওয়ার পরই তারা এফইএস রিটেইলের কাছে তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছিল।

এদিকে বকেয়া আদায়ের দাবিতে দুটি বায়িং হাউসের মালিক গত মাসে এলপিপির ঢাকা কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলার পর এলপিপির একাধিক কর্মকর্তার বাসায় রাতে পুলিশ অভিযান চালানোর ঘটনাও ঘটে।

এর আগে গত ২১ জুলাই এলপিপি বিজিএমইএ, বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ) এবং বায়িং হাউস মালিকদের সংগঠন বিজিবিএকে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ধীরে ধীরে ক্রয়াদেশ কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানায়। পরে ৩১ জুলাই বাংলাদেশের সরবরাহকারীদের পাঠানো চিঠিতে নতুন ক্রয়াদেশ দেওয়া এবং নতুন পণ্য উন্নয়নের কাজ স্থগিত রাখার কথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

এলপিপির কয়েকজন সরবরাহকারী জানান, বিদায়ী অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৭০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক কিনেছে। চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৭৭ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক আমদানির পরিকল্পনা করেছিল এলপিপি। সে অনুযায়ী তারা ক্রয়াদেশ দেওয়াও শুরু করেছিল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page