1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
ফুটপাথ দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি, অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি নগরবাসীর আজ মহাসপ্তমী: দুর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিনে দেবী দুর্গার আরাধনা সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাত ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

২২-২৩ আগস্ট দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মিডিয়া ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬

দিল্লিতে বিমসটেক সম্মেলনের আগে আগামী সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফরের প্রস্তুতি চলছে। ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগামী ২২-২৩ আগস্ট সফরের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ভারতের স্বাধীনতা দিবসের এক সপ্তাহ পরেই এই সফর হতে পারে।

তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনো সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও নাম প্রকাশ করে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। এরই মধ্যে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরটি হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হতে পারে। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।

সবকিছু ঠিক থাকলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই হবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর। ফলে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণেও সফরটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, দুই দিনের সফরটি মূলত দ্বিপক্ষীয় সফর হিসেবেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত।

এদিকে সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে ব্রিকসের ওই আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি।

ঢাকার সরকারি সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভারত সফরকে সামনে রেখে নীরবে প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। গত ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক তৎপরতাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপড়েন তৈরি হয়। দিল্লিতে শেখ হাসিনার একটি সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সরকারের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার পর ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও আলোচনায় আসে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং ভারতে অবস্থান করে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। ভারত জানিয়েছে, প্রত্যর্পণের বিষয়টি তারা নিজস্ব আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় পর্যালোচনা করছে।

সম্ভাব্য ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আলোচনায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ক যেন কেবল এই একটি ইস্যুতে আটকে না যায়, সে বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।

এ ছাড়া সম্ভাব্য বৈঠকে বাণিজ্য ও ট্রানজিট, জ্বানি সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ এবং পানি বণ্টনের মতো বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সই হওয়া গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। ফলে চুক্তি নবায়নের বিষয়টি দুই দেশের আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে।

দুই দেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতায় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগ্রহের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীও দুই দেশের জনগণের মধ্যে ভালো সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

তবে সম্ভাব্য এই সফরেই ঢাকা-দিল্লির সব অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান হবে—এমন প্রত্যাশা নেই। বরং সরাসরি রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানো এবং বিভিন্ন কঠিন বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরুর ক্ষেত্রে সফরটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী সপ্তাহে তারেক রহমানের নয়াদিল্লি সফর হলে এটি বাংলাদেশ-ভারতের নতুন রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রথম বড় পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page