1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
ফুটপাথ দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি, অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি নগরবাসীর আজ মহাসপ্তমী: দুর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিনে দেবী দুর্গার আরাধনা সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাত ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

২১ বছর পরও স্মরণে ১৭ আগস্টের সিরিজ বোমা হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট। দুপুরে হঠাৎ একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে দেশের বিভিন্ন এলাকা। মুন্সিগঞ্জ ছাড়া দেশের ৬৩ জেলায় মাত্র আধা ঘণ্টার ব্যবধানে তিন শতাধিক স্থানে চালানো হয় সিরিজ বোমা হামলা। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) ওই হামলার মাধ্যমে নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতার জানান দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

দেশজুড়ে ৪৫০টির বেশি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত হন দুজন এবং আহত হন দুই শতাধিক মানুষ। ভয়াবহ ওই ঘটনার ২১ বছর পূর্ণ হলো আজ।

হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল দেশের উচ্চ ও নিম্ন আদালত, বিমানবন্দর, মার্কিন দূতাবাস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সরকারি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বিস্ফোরণের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে জেএমবির প্রচারপত্রও ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেশজুড়ে অভিযান শুরু করে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে জেএমবির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারাও গ্রেপ্তার হতে থাকেন।

সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন থানায় দেড় শতাধিক মামলা করা হয়। এসব মামলার বেশিরভাগের বিচার ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

হামলার পর জেএমবির বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান আরও জোরদার করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা গ্রেপ্তার হন এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়।

শেষ পর্যন্ত ২০০৭ সালের ৩০ মার্চ জেএমবির ছয় শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তারা হলেন—সংগঠনটির প্রধান শায়খ আবদুর রহমান, সেকেন্ড-ইন-কমান্ড সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাই, সামরিক কমান্ডার আতাউর রহমান সানি, থিংকট্যাংক সদস্য আবদুল আউয়াল, খালেদ সাইফুল্লাহ ও সালাহউদ্দিন।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্টের সিরিজ বোমা হামলা বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ মোকাবিলার ইতিহাসে একটি বড় মোড় হিসেবে বিবেচিত হয়। একযোগে দেশের প্রায় সব জেলায় হামলা চালিয়ে জেএমবি যে সাংগঠনিক উপস্থিতির জানান দিতে চেয়েছিল, পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্ব বড় ধরনের ধাক্কা খায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page