1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

গজ রেখেই সেলাই, দেড় মাস পর নারীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬

ফরিদপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পর কনিকা মণ্ডল নামে এক নারীর পেটে গজ রেখেই সেলাই করার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় দেড় মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে কনিকার বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।

মৃত কনিকা মণ্ডল বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের বাঘুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা অশান্ত মণ্ডলের স্ত্রী।

কনিকার স্বামী অশান্ত মণ্ডল অভিযোগ করেন, গত ২৯ জুন ফরিদপুরের সমরিতা হাসপাতালে কনিকার সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। অপারেশনের সময় চিকিৎসক লক্ষ্মী রানি দত্ত কনিকার পেটে গজ রেখেই সেলাই করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরে কনিকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় দেড় মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৯ আগস্ট রাতে তার মৃত্যু হয়।

শুক্রবার কনিকার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে। ঘরের বারান্দায় কনিকার দেড় মাস বয়সী সন্তানকে কোলে নিয়ে কান্না করছিলেন তার বোন দীপিকা বিশ্বাস দীপা। পাশে ছিল কনিকার আরও দুই সন্তান।

কনিকার ছেলে পার্থ মণ্ডল বলেন, মায়ের মৃত্যুতে তাদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। ভবিষ্যতে যেন অন্য কোনো মায়ের সঙ্গে এমন ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

কনিকার মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সোলেমান বিশ্বাস বলেন, কনিকার সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য দায়ী চিকিৎসকের শাস্তি হওয়া উচিত। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে জন্য সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন তিনি।

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মোসলেম খান বলেন, চিকিৎসার কারণে পরিবারটি আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি পরিবারটিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কনিকার মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page