
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ একই পরিবারের চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাদের বাবা হেলাল উদ্দিন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার বৈদ্যারবাজার এলাকার আল-মোস্তফা কোম্পানির সামনে মেঘনা নদীতে ভাসমান অবস্থায় তিনজনের মরদেহ দেখতে পান উদ্ধারকারীরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশের সদস্যরা মরদেহগুলো উদ্ধার করেন।
উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া ও শিশু ছেলে সামিন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার শ্রীমন্দী গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা সোনারগাঁয়ের সোনাময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রলারে করে রওনা হন। ট্রলারটিতে গরু-ছাগলসহ মোট ১৩ জন ছিলেন। বৈদ্যারবাজারের কাছে মেঘনা নদীর মাঝপথে পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি। একপর্যায়ে সেটি উল্টে নদীতে ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আটজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। একই ঘটনায় রাশিদা নামে এক নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর হেলাল উদ্দিন, তাঁর ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া ও শিশু ছেলে সামিন নিখোঁজ ছিলেন।
দুই দিন ধরে উদ্ধার অভিযান চালানোর পর শনিবার সকালে একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এ ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি হেলাল উদ্দিনের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও সংশ্লিষ্টরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।