অসুস্থতা, বার্ধক্য কিংবা ভ্রমণের কারণে কেউ রোজা রাখতে অপারগ হলে ইসলামি শরিয়তে রয়েছে বিশেষ ছাড়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, নির্ধারিত দিনগুলোতে রোজা ফরজ; তবে কেউ অসুস্থ বা সফরে থাকলে পরে সমপরিমাণ রোজা কাজা করবে। আর যারা একেবারেই সক্ষম নয়, তারা প্রতিটি রোজার পরিবর্তে একজন মিসকিনকে খাবার দেবে (সুরা বাকারা: ১৮৪)।
ফিদিয়া কী?
ফিদিয়া হলো অপারগতার কারণে কোনো ইবাদত আদায় করতে না পারলে তার পরিবর্তে নির্ধারিত বিনিময় প্রদান করা। বার্ধক্য বা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতায় কেউ যদি ভবিষ্যতেও রোজা রাখার সক্ষমতা না পান, তবে প্রতিটি রোজার জন্য এক ফিতরার সমপরিমাণ ফিদিয়া দিতে হবে।
ফিদিয়ার পরিমাণ
এক রোজার ফিদিয়া এক সদকাতুল ফিতরার সমান। হাদিসে এক ‘সা’ (প্রায় ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) খাদ্য দেওয়ার কথা উল্লেখ আছে। ২০২৬ সালের জন্য সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
কখন ফিদিয়া দিতে হবে?
অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থ হলে রোজা কাজা করবেন। তবে কাজা আদায়ের সুযোগের আগেই মৃত্যু হলে তার পক্ষ থেকে পরিবার ফিদিয়া আদায় করবে।
বদলি রোজার বিধান নেই
ইসলামে ‘বদলি রোজা’ নামে কোনো বিধান নেই। অন্য কাউকে দিয়ে রোজা রাখানো যায় না। একান্ত অক্ষম হলে ফিদিয়া প্রদানই শরিয়তসম্মত সমাধান।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়