নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিতব্য এ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ প্রায় এক হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের নামে ইতোমধ্যে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন কর্মদিবসের মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করতে হয়। আগামীকাল থেকে কর্মদিবস হিসেবে সময় গণনা শুরু হবে। সে হিসাবে ১৫, ১৬ বা সর্বোচ্চ ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের শপথ শেষে নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলো নিজেদের সংসদীয় দলনেতা নির্বাচন করবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নির্বাচিত নেতা রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবেন যে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা। এরপর রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন। সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
ড. শেখ আব্দুর রশীদ আশা প্রকাশ করে বলেন, “তিন দিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যেই শপথ সম্পন্ন হবে।”
শপথ আয়োজনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সব প্রস্তুতি রয়েছে। প্রয়োজন হলে তিন দিনের পরেও অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি সংসদ সচিবালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। অনানুষ্ঠানিকভাবে কিছু তথ্য জানা গেলেও তা প্রকাশ করতে চাননি। তিনি জানান, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পাঠ করাতে পারেন। তারা কাউকে মনোনয়ন দিলে সেই ব্যক্তি দায়িত্ব পালন করবেন। প্রয়োজনে সরকার থেকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি বা প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন।
অন্যদিকে, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ করান।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয়